বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল ভার্সিটি এবং ওয়াদানি ফাউন্ডেশন এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি,বাংলাদেশ ও ওয়াদানি ফাউন্ডেশন এর মধ্যে স্কিল ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল)গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভা কক্ষে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ )স্বাক্ষর করেছে।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড.মো:মাহবুবুল আলম জোয়ার্দার এবং ওয়াদানি ফাউন্ডেশন এর পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনে প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার জনাব এস্তানুল  কবির। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড.মো.আনোয়ার হোসেন, ওয়াদানি ফাউন্ডেশন এর এসোসিয়েট প্রোগ্রাম ম্যানেজার জনাব সাগর খালাসি,সিনিয়র এসোসিয়েট জব প্লেসমেন্ট জনাব শাহরিয়ার ইসলাম-সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই সমঝোতা স্মারক (এমওইউ )স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি সামগ্রিক ভাবে কোর্ডিনেট করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর সফট স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেল।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর পূর্ব আলোচনায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম বলেন,চতুর্থ এবং পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের এই যুগে স্কিল ডেভেলপের বিকল্প নেই সেই বিষয়টি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি,শুরু থেকেই উপলব্ধি করতে পেরেছে এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগের অংশ হিসেবে ওয়াদানি ফাউন্ডেশন এর মধ্যে আজকের এই স্কিল ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ )স্বাক্ষর।

মাননীয় উপাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি,বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ইন্ডাস্ট্রি উপযোগী করে গ্রাজুয়েট তৈরি করতে আগ্রহী। ওয়াদানি ফাউন্ডেশন-সহ যে সকল ইন্ডাস্ট্রি এবং প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি,বাংলাদেশ এর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে এগিয়ে এসেছেন মাননীয় উপাচার্য তাদের ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.মো:মাহবুবুল আলম জোয়ার্দার বলেন, ওয়াদানি ফাউন্ডেশন এর সাথে আমরা একটি সময় উপযোগী বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ )স্বাক্ষর করতে যাচ্ছি।  এই সমঝোতা স্মারকের আলোকে আমরা যে কোর্সটি শুরু করেছি তার একটি রিপোর্ট, কোর্স শেষে আমরাদের শিক্ষার্থীরা এই কোর্স থেকে কতটুকু শিখলো তার একটি রিপোর্ট এবং আমাদের শিক্ষার্থীরা যখন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করবে তার একটি রিপোর্ট আমাদের প্রস্তুত করতে হবে। এই তিনটি রিপোর্ট পর্যালোচনা করে আমরা বুঝতে পারবো আমরা কোন অবস্থায় আছি।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড.আনোয়ার হোসেন বলেন,তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে নতুন নতুন দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। এই সকল দক্ষতা অর্জন কোর্সের মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি সমৃদ্ধ হবেন বলে আমার বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ওয়াদানি ফাউন্ডেশন এর সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার জনাব এস্তানুল কবির।