বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অভিন্ন সত্তা : বিডিইউ উপাচার্য


পৃথিবীর মানচিত্রে যতদিন বাংলাদেশে থাকবে ততদিন প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

সোমবার (৩১ আগস্ট ২০২০) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ের সভা কক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জাতির পিতার জীবন ও কর্ম নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রাহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি,বাংলাদেশ আয়োজিত রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণা কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর।

এসময় ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক,শিক্ষার্থী,কর্মকর্তা,কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মাননীয় উপাচার্য বলেন,বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য। সাত কোটি বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করে সংগ্রামের মাধ্যমে তিনি আমাদের উপহার দিয়েছিলেন লাল-সবুজ পতাকা।

অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করতে ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধুসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে একাত্তরের পরাজিত শক্তি সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে পাকিস্তানী ধারায় ফিরিয়ে নেয়ার অপচেষ্টা চালায়।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা নিছক কোন সাধারণ ঘটনা ছিলো না। সেদিন বাঙালি জাতির পিতাকে হত্যা করে কেবল রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলই খুনিদের মূল উদ্দেশ্য ছিলো না। সেদিন তারা হত্যা করতে চেয়েছে বাংলাদেশ,বাঙালিত্ত ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে।

মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বঙ্গবন্ধু হত্যা ষড়যন্ত্রে জড়িত নেপথ্যে মদদদাতাদের খুঁজে বের করতে “তদন্ত কমিশন ” গঠন করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমাদের এটি অনেক আগেই করা প্রয়োজন ছিলো। দেরিতে হলেও বঙ্গবন্ধু হত্যা ষড়যন্ত্রে জড়িত নেপথ্যে মদদদাতাদের খুঁজে বের করতে “তদন্ত কমিশন ” গঠন করা হচ্ছে যা বাঙালি জাতির জন্য স্বস্তির।

পরে মাননীয় উপাচার্য জাতির পিতার জীবন ও কর্ম নিয়ে রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীর নাম ঘোষণা করেন।

রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটিই প্রোগ্রামের মারিয়া আফরিন বিন্দু, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন একই প্রোগ্রামের হাসিবুল আলম প্লাবন,তৃতীয় স্থান অধিকার করেন আইওটি প্রোগ্রামের মোসাঃ আরিফা আজমেরী এবং কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন আইওটি প্রোগ্রামের ফারহা আমল মিম, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন একই প্রোগ্রামের আবদুল হাসিব এবং আইসিটিই প্রোগ্রামের আবদুল্লাহ রাইয়ান।